আপুর পোস্ট দেখেই এই রংধনু শাড়িটার জন্য পাগল হয়েছিলাম।
পাগল হবার বিশেষ একটা কারণ হচ্ছে শাড়ির রং।আমি বরাবরই পরিবারের সাথে ম্যাচিং আউটফিট খুব পছন্দ করি।কিন্তু কত আর ম্যাচিং করা যায়।সেই ভাবনা থেকে দেখলাম,এই শাড়িটায় অনেকগুলো কালার আছে।যে কোন একটার সাথে ম্যাচিং করে পাশেরজনেরটা বানিয়ে ফেললেই হলো।হা হা হা.. খুবই কিপটামো বুদ্ধি।
আসলে শাড়ির রং, তার রংধনু নামের মতই অদ্ভুত সুন্দর।প্রত্যেকটি রংই খুবই কোমল।চোখে আরাম দেয় এমন।
এক বিশেষ দিনে শাড়িটা পরার খুব ইচ্ছে থাকলেও নানান কারণে সেটা সম্ভব হয় নি।এদিকে করোনার জন্যও কোথাও বেড়াতে যাওয়াও হচ্ছিলো না।অবশেষে এক বিকেলে হুট করেই শাড়িটা পরার ইচ্ছে হতেই আর দেরি করলাম না।
শাড়িটা কতখানি সুন্দর সেটা সামনে থেকে না দেখলে বুঝা সম্ভব নয়।
তাতের শাড়িতে মাড় থাকবেই এমন একটা বদ্ধমূল ধারণা ছিলো আমার।কিন্তু কন্যাসুন্দরীর এই শাড়িটা এত সফট… যে আমার ধারণাই মিথ্যে হয়ে গিয়েছে।একদমই ফুলে থাকে নি এটা।
আপুর ব্যবহার নিয়ে কি আর বলবো।খুবই অমায়িক একজন মানুষ।বিক্রেতা হিসেবে উনি ১০ এ ১০ পাবেন যে কারো কাছেই।
আপুকে বলেছিলাম,এই শাড়ি পরে কোন এক পড়ন্ত বিকেল কাটাবো প্রিয়জনের সাথে।