মানুষ অভ্যাসের দাস। একটা সময় যখন উইতে লেখালিখি করতাম, তখন মাথায় শত শত টপিক থাকতো, এটা নিয়ে লিখবো সেটা নিয়ে লিখবো। সারাদিন খাওয়া, ঘুম বা যেকোন কাজে কি লিখবো সেগুলো মাথায় ঘুরতো। কিন্তু একবার লেখা বাদ দিয়ে দিছি এখন লিখতে গেলেও টপিক খুঁজে পাইনা, বা কি লিখবো সেটাই বুঝতে পারিনা। সেই না লেখালিখির চক্করে পরে উই থেকে যে টুকটাক কেনাকাটা করেছি সেটার রিভিউও দেওয়া হয়নি।

যাই হোক শাড়ি টা তো আর নতুন করে চেনাতে হবেনা তাই না?? হ্যা

Monika Ahmed আপুর পেজ কন্যাসুন্দরীর শাড়ির। উইতে প্রথম জয়েন করেই আপুর পোস্ট দেখতাম। শাড়িগুলো কি সুন্দর আর আপুর শাড়ির ফটোগ্রাফিও বেশ চমৎকার। তো একদিন আপুর পেজে গিয়ে একেবারে মাথা খারাপ অবস্থা, কোন টা বাদ দিয়ে কোন শাড়ি নেব। সবগুলো শাড়িই এত সুন্দর।
একদিন অডিও আড্ডার সময় যখন আপুর শাড়ির নাম্বার বলছিলেন কত নাম্বার শাড়ি সেল হচ্ছে তখনই এই লাল টুকটকে শাড়িটা বুক করে ফেলি।
আপুর কাস্টোমার হ্যান্ডেলিং, ডেলিভারী প্রসেস সবকিছুই অনেক ভালো লেগেছে আর শাড়ি টা হাতে পাওয়ার পর কোয়ালিটি নিয়ে আর কি বলবো। আমার যেহেতু কটন শাড়িই বেশি পছন্দের আর এই হ্যান্ডলুম কটন শাড়িটাও বেশ আরামদায়ক, একই সাথে কোয়ালিটিও যথেষ্ট ভাল। আর বাসায় যেই দেখেছে সবাই শাড়িটার খুব প্রশংসা করেছে।। শাড়িটা পেয়েও একবার রিভিউ দিয়েছিলাম। কিন্তু বাসায় থাকার কারনে শাড়টা পরাই হচ্ছিলোনা। পরে আমার জন্মদিনের আগে দিয়ে আমার পেজের জন্য একটা ভিডিও বানাতে গিয়ে শাড়িটা পরেছিলাম। শাড়ির সাথে হাতে বানানো গয়নাগুলো আমার পেজের। ?
হোমায়রা জাহান।
বাসা – গাইবান্ধা।
সত্ত্বাধিকারী – মাত্রাবৃত্ত।