কন্যাসুন্দরীর #রিভিউ
এই যে শাড়ীটা দেখছেন এটা কন্যাসুন্দরীর ২৫২তম শাড়ী। কন্যাসুন্দরীর শাড়ী প্রথম থেকেই আমার পছন্দের শীর্ষে ছিল। কিন্তু আমার দুঃখের শেষ নেই। কারণ এই বিবাহিত জীবনে আমি হয়তোবা ৪/৫ দিন শাড়ী পরেছি। কেননা শাড়ী পরার অভ্যাস নেই মানে শাড়ীতে আমি নাই। তাই ভাবলাম এতো সুন্দর সুন্দর শাড়ীগুলো যদি হাত দিয়ে স্পর্শ করতে না পারলাম, তাহলে আমার শান্তি লাগছে না। তারপর ভাবলাম আমি না হয় পড়লাম, তাতে কি হয়েছে। আমার শাশুড়ি তো শাড়ী পরে। আমি ওনার জন্য নিতে পারি কন্যাসুন্দরী তথা Monika Ahmed আপুর শাড়ী। তারপর ভেবে রাখলাম ঈদে কন্যাসুন্দরীর শাড়ীই শাশুড়িকে দিব।
সেই আশাটা পূরণ করতে কয়েকদিন আগে আপুকে নক করলাম, পরে আপুর সাথে কথা হলো। আপুকে বললাম-আমার শাশুড়ি একটু খুঁতখুঁতে টাইপের। সহজে কোনোটা পছন্দ করে না, আর তাই পছন্দটা আপুর কাছে ছেড়ে দিলাম। তখন আপু একটা শাড়ী দেখালো। হ্যাঁ প্রথম শাড়ীটাই আমার ভালো লেগেছিল। কিন্তু একটা শাড়ী দেখে যদি পছন্দ না হয় শাশুড়ির, তাই আপুকে কয়েকটি শাড়ীর ছবি দিতে বললাম। আপু সাথে সাথে আরো কয়েকটি ছবি দিলেন। ছবিগুলো সবাইকে আমি দেখালাম। কিন্তু প্রথমে আপু যেটা পছন্দ করে দিয়েছিল সেটাই সবার পছন্দ হল।
আলহামদুলিল্লাহ, গতকাল আপুর শাড়ীটা হাতে পেয়েছি। আমি তো দেখার জন্য অধীর আগ্রহে ছিলাম। যাক প্যাকেট খুলে শাড়ীটা হাত দিয়ে ধরলাম। আর মনে হলো আমি যেন Monika Ahmed আপুর হাতের স্পর্শ পেয়েছি। সত্যি বলতে আমার অন্যরকম একটা অনুভূতি ছিল। অবশেষে আমার শাশুড়িকে শাড়ীটা সরাসরি দেখালাম। অনেক চিন্তায় ছিলাম শাড়ীটা পছন্দ হয় কি-না। কিন্তু আমার শাশুড়ি-আম্মার শাড়ীটা পছন্দ হয়েছে। শেষে তো আমার স্বামী বললো Monika Ahmed আপুর সব শাড়ীগুলোই আমার পছন্দ হয়েছে।
এবার আসি আপুর কথায়। আপুর ব্যবহার যে অমায়িক, কি বলবো আমি। আমি তো আগে থেকেই কন্যাসুন্দরীর শাড়ী ও Monika Ahmed আপুর পোষ্টের ভক্ত ছিলাম। তারপরে আপুর সাথে কথা বলার পর মনে হলো আপু দেখতে যেমন মায়াবী সুন্দর, তেমনি কি মিষ্টি ব্যবহার আপুর।
অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো আপু। কন্যাসুন্দরী এবং আপনার জন্য দোয়া রইলো। কন্যাসুন্দরী আরো এগিয়ে যাক।
মরিয়ম চৌধুরী
ওনার অফ-Deshio Shopping-দেশীয় শপিং





