রিভিউ::
আম্মুদের শপিংয়ের ব্যাপারে সবসময় টেনশন একটু বেশি থাকে আমাদের। ভুলভাল হলে বা খারাপ হলে নির্ঘাত বকা শুনতে হবে। উইতে এসে সেই টেনশন একদম দূর হয়ে গেছে। কারন এতটুকু ভরসা পেয়ে গেছি যাই কিনি পরিচিতদের কাছ থেকে কিনলে ঠকার সম্ভাবনা শূন্যের ও নিচে।
মনিকা আপু আর কন্যাসুন্দরী পরম বিশ্বস্ততার নাম। ব্লক শাড়ি কিনবো? কোন দিকে না তাকিয়ে ফোন হাতে নিয়েই সোজা কন্যাসুন্দরী তে ঢুকে যাই। আর বিপাকে পরি ঠিক তখনই। কারন, কোনটা রেখে কোনটা নিবো এমন একটা অবস্থা।
আম্মু আবার এই সমস্যায় পরেন না। উনি শাড়ির ব্যাপারে খুবই চুজি। কোন রংয়ের শাড়ি কি পাড়ের শাড়ি উনাকে ভালো মানাবে ছবি দেখেই বলে দিতে পারেন। তাই শাড়ি পছন্দের দায়িত্বটা উনাকেই দিই সবসময়।
দেখে বেছে আম্মু আপুর এই “সমুদ্র সবুজ” শাড়িটা পছন্দ করেছেন। এবং সত্যিই এই রংটা আম্মুকে বেশ মানায়।
শাড়ি পছন্দের পালা ছিলো অনেক আগেই। মানে কয়েক মাস আগেই এই শাড়ি পছন্দ করে দিয়েছিলেন কেনার জন্য। কিন্তু কিনেছি এই কিছুদিন আগেই।
ছবিতে যেমন দেখছেন? বাস্তবেও ঠিক এমনই এতটুকু পার্থক্য নেই। আর ব্লকের কাজগুলো খুবই নিখুঁত। হাত দিয়ে ধরলে হাতের সাথে লাগেনা। মানে ফিনিশিং টা খুবই সুন্দর। বলেন তো এই যদি হয় অবস্থা মনিকা আপুর শাড়ির উপর চোখ বন্ধ করে ভরসা তো করা ই যায় তাই না?
এর আগেও আপু থেকে শাড়ি কিনেছিলাম। আম্মু ও এখন জেনে গেছেন জামদানী নিতে হলে কাকলি আপুর কাছ থেকেই নিতে হবে,তাঁতের ব্লক শাড়ি নিলে মনিকা আপুর কাছ থেকেই নিতে হবে। কারন, দু’জন আপুর শাড়িতেই আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট।
এই শাড়িটা ছিলো আপুর উইতে ৩৪৬ নম্বর সেলের শাড়ি। নাম তার “সমুদ্র সবুজ”
আর কাস্টমার খাতির? হাহা মনিকা আপু একজন সেলার এটা এখন আমার মনেই হয় না। উনি খুব আপন মানুষের মতো করেই কথা বলেন যত্ন করে শাড়ি হাতে পেয়ে পছন্দ হওয়া পর্যন্ত খোঁজ রাখেন। তাই এই ব্যাপারে আপুকে রেটিং না দিলেও চলবে। সেরাদের সেরা তিনি
ধন্যবাদ,
সাবরিন-ওনার অব পাপেট





